সব

গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপির কর্মীরা

তফসিলের পরও গ্রেফতার থামছে না

নিউজ ডেস্ক | শনিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০১৮ | 429 বার পড়া হয়েছে
তফসিলের পরও গ্রেফতার থামছে না

গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন ধানের শীষের প্রার্থী ও তাদের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। নতুন-পুরনোর মামলার খক্ষ ঝুলছে তাদের ওপর। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার বন্ধ হয়নি। উল্টো বেড়েছে বলে অভিযোগ হাইকমান্ডের।

এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বিএনপি, ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্ট আলাদা অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু তেমন প্রতিকার মেলেনি। এখন গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রার্থীদেরও।



সর্বশেষ বিএনপির প্রার্থী ও দলের যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতার করে জামিন না দিয়ে বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ফেরার পথে ঢাকার এক প্রার্থীকে তুলে নেয়ার পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এটি নিয়ে তফসিল ঘোষণার পর কমপক্ষে ১৩ প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়নপত্র কিনতে আসা এক প্রার্থীর লাশ মিলেছে বুড়িগঙ্গায়।

মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে অনেক প্রার্থীই এলাকায় যেতে পারছেন না। তাদের কেউ কেউ প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যারা এলাকায় গিয়েছেন তারা পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা দু-একদিনের মধ্যে আবার ইসিতে যাবেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিএনপি নেতারা বলেন, গায়েবি মামলা ও গ্রেফতারের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নির্বাচন কমিশন গায়েবি মামলা ও গ্রেফতার বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু তাদের নির্দেশ কার্যকর হয়নি।

দলটির কেন্দ্রীয় দফতর সূত্রে জানা গেছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (৮ নভেম্বর) থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৫২১টি মামলা হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী আছেন ১৩ জন। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৯০ হাজার ৩৪০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ২৫ লাখ ৭০ হাজার ৫৪৭ আসামি। তাদের মধ্যে কারাগারে আছেন ৭৫ হাজার ৯২৫ নেতাকর্মী। ১৮ নভেম্বর বিএনপি এই তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু চৌধুরীসহ প্রায় সব ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন চায় কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়মিত গ্রেফতার করা হচ্ছে। চলছে গায়েবি মামলা। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও গ্রেফতারের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা যাতে মামলার বোঝা নিয়ে মাঠে প্রচারের চেয়ে আদালতের বারান্দায় বেশি সময় ব্যয় করে সেই কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে সরকার। অথচ সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তফসিলের পর কোনো গ্রেফতার হবে না। এটা অত্যন্ত পরিষ্কার এই নির্বাচন কমিশন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনের অবস্থায় নেই। তারা সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়ন করে চলেছে। অবিলম্বে মামলা ও গ্রেফতার বন্ধ ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিতে নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি নেতারা বলেন, নির্বাচনে এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। ইসির কার্যক্রমে সে রকম কোনো আলামতও তারা দেখছেন না। স্বাভাবিকভাবেই ইসি ও প্রশাসনের ভূমিকায় দলটির নেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। এ বিষয়টি জানাতে আজ ফের নির্বাচন কমিশনে (ইসি) যাবেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।

বিএনপির এক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, আগেও প্রধানমন্ত্রী ও ইসিকে মামলা ও গ্রেফতারের তালিকা দিয়েছিলাম। বাস্তবে এর কোনো প্রতিকার হয়নি। আমরা আবারও তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত মামলা ও গ্রেফতারের তালিকাও দেব। যার মধ্যে প্রার্থীদের গ্রেফতারের তালিকাও থাকবে।

তিনি বলেন, প্রার্থীরা যদি মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে থাকে তাহলে নির্বাচন করবে কিভাবে। এ অবস্থায় কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। একদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাবেন আর অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থীরা গ্রেফতার আতঙ্কে থাকবেন, আদালতের বারান্দায় ঘুরবে- এটা তো হতে পারে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে নিজ এলাকায় যেতে পারছে না ধানের শীষের অধিকাংশ প্রার্থী। যারা এলাকায় গেছেন পুলিশ তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ প্রার্থীদের।

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের প্রার্থী শরীফুল আলম যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে আমিসহ অনেক নেতাকর্মী গ্রেফতার আতঙ্কে এলাকাছাড়া। নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি ও নানা হুমকি দিচ্ছে পুলিশ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সভা-সমাবেশ করছে। ঢাকঢোল পিটিয়ে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। অথচ আমরা কোনো কার্যক্রমই করতে পারছি না। সব প্রার্থীরা যেন সমান সুযোগ পায় এজন্য তিনি ইসিসহ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

নাটোর-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু যুগান্তরকে বলেন, আমি তিনবার সংসদ সদস্য ছিলাম। এই প্রথমবারের মতো প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এলাকায় যেতে পারছি না। নেতাকর্মীদের প্রতিদিন গ্রেফতার করা হচ্ছে। সবার ভেতর গ্রেফতার আতঙ্ক।

ভোলা-৩ আসনের প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পরপরই আমার নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার লালমোহন পৌরসভায় আমার বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। পুলিশকে খবর দিলেও ঘটনা শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর তারা আসে। এলাকায় একদিকে চলছে পুলিশের হয়রানি, অন্যদিকে দলীয় নেতাকর্মীর ওপর প্রতিদিনই আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা হামলা করছে। পুলিশকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।

ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, তার সঙ্গে দেখা করার জন্য বৃহস্পতিবার জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা চারটি মাইক্রোবাসে করে চরফ্যাশনে আসছিলেন; কিন্তু তারা লালমোহনের ডাওরী বাজারে পৌঁছলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গাড়িতে হামলা চালায়। এতে ১২ জন আহত হন। তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে গিয়েও পুলিশ হয়রানি করে।

এদিকে সারা দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীরা এখনও আদালত, থানা আর কারাগারেই সময় পার করছেন। দলের মনোনয়ন পেলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তায় বিএনপির বহু নেতা। তাদের কেউ কেউ সম্প্রতি দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে। কেউ পুরনো নাশকতা বা দুর্নীতির মামলার দণ্ড নিয়ে কারাগারে। অনেকে উচ্চ আদালতে যাচ্ছেন সাজা স্থগিতের আশায়। এখনও পর্যন্ত একজন ছাড়া বাকিরা দণ্ড ও সাজা স্থগিতের জন্য উচ্চ আদালতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন।

যশোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবিরা সুলতানার দণ্ড ও সাজা স্থগিতের আবেদন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে এর আগে ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ দুর্নীতির পৃথক পাঁচ মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিত চেয়ে বিএনপির পাঁচ নেতার আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন। যেখানে পাঁচ নেতার ৮ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ছিল।

ওই পাঁচজন হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, ড্যাব নেতা চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূঁইয়া, আবদুল ওহাব ও মশিউর রহমান।

দ্বৈত বেঞ্চের ওই আদেশে বলা হয়, সংবিধান অনুসারে দুই বছর বা তার বেশি সাজার রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার পর্যন্ত দলটির মোট ১৩ জন মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর থেকে ঢাকা-৭ আসনের মোশাররফ হোসেন খোকন নিখোঁজ হন। পুলিশ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকের নরসিংদী-১ আসনের প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন ও মাগুরা-১ আসনের বিকল্প প্রার্থী মনোয়ার হোসেনকে পৃথক মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ধানের শীষ প্রতীকের ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী সম্পদের তথ্য বিবরণী দাখিল না করা সংক্রান্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে চার সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

এর আগে ঢাকা-৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। রিমান্ড শেষে তাকে আদালত কারাগারে পাঠান। এখন পর্যন্ত তিনি কারাগারে। এ ছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে কারাগারে আছেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৭ আসনের আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের আসলাম চৌধুরী, পাবনা-৫ আসনের শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, রাজশাহী-৬ আসনের আবু সাইদ চাঁদ, চাঁদপুর-১ আসনের এহছানুল হক মিলন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, কয়েকদিন ধরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসা সার্বক্ষণিক ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বাসায় ঢোকা ও বের হওয়ার সময় নেতাকর্মীদের লাগাতার গ্রেফতার করা হচ্ছে। এভাবে সারা দেশে ধানের শীর্ষের প্রার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করছে পুলিশ।

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা যুগান্তরকে বলেন, তফসিলের পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করেই আমরা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছি। সেটা মামলা হতে পারে, গ্রেফতার হতে বা অন্য যে কোনো বিষয় হতে পারে। সব ক্ষেত্রেই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। আবারও বলছি, আমরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করেই সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
তথ্য সূত্র:যুগান্তর

Facebook Comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

২৬ মার্চ ২০১৯ | 924 বার পড়া হয়েছে

ভাইরাল হওয়া ছবিটি চকবাজারের নয়

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | 909 বার পড়া হয়েছে

বহুমাত্রিক জীবন

১০ জুলাই ২০১৮ | 836 বার পড়া হয়েছে

হিরো আলমের কপাল পুড়লো

০২ ডিসেম্বর ২০১৮ | 830 বার পড়া হয়েছে

টেলি সামাদ না ফেরার দেশে

০৬ এপ্রিল ২০১৯ | 734 বার পড়া হয়েছে

সেনাবাহিনীর ভয়ে লোটাস কামাল পলাতক

২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | 714 বার পড়া হয়েছে

ড.কামালের অফিসে ডি এম পি কমিশনার

২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | 710 বার পড়া হয়েছে

শূণ্য আসগুলোতে বি, এন পি এর সমর্থন

২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | 693 বার পড়া হয়েছে

মাশরাফি এখন শাড়ির আঁচলে

২৭ ডিসেম্বর ২০১৮ | 679 বার পড়া হয়েছে

২০ দলীয় জোটের চুড়ান্ত বৈঠক আজ

০২ ডিসেম্বর ২০১৮ | 670 বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশনের বার্তা

২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | 668 বার পড়া হয়েছে

আজ ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস

১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | 656 বার পড়া হয়েছে

যা কিছু সঙ্গে আনতে পারবেন বিমানবন্দরে

০২ মার্চ ২০১৯ | 650 বার পড়া হয়েছে

আবাবিলে ছেয়ে যাক ভোটের আকাশ

২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | 649 বার পড়া হয়েছে

আজ সেনাবাহিনী নামছে নির্বাচনী মাঠে

২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | 646 বার পড়া হয়েছে

উপদেষ্টা সম্পাদক

হাফেজ মাওলানা সাহাদাত হোসাইন

মোহাম্মদ নুরে আলম

হাফেজ মাওলানা আব্দুল হাসিব চৌধুরী

লোকমান আহমেদ

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

চৌধুরী হাসান মাহমুদ

প্রধান সম্পাদক

গোলাম রব্বানী

নির্বাহী সম্পাদক

হাফিজুর রহমান নাহিদ

বার্তা সম্পাদক

তাজ উদ্দিন আহমাদ

বিভাগীয় সম্পাদক

শাহ মাসুম খাদেম

সিএম হাসান

সম্পাদনা সহযোগী

ফয়েজুল ইসলাম চৌধুরী

আশিকুর রহমান

এনামুল হাসান চৌধুরী

যোগাযোগ: উম আল ধম রোড, মাইজার, আল রাইয়্যান, কাতার। ফোন: +974.77664095, ই-মেইল: foursidenews@gmail.com

all right reserved

design and development by: webnewsdesign.com